বঙ্গবন্ধু, জিয়া, মঞ্জুর হত্যাকাণ্ড জতুগৃহ একটিই (হার্ডকভার)
0 Ratings
0 Answered Questions
By (Authors) : মোঃ নূরুল আনোয়ার
Save 60 BDT
Summary:
বইটি সম্পর্কে লেখকের কিছু কথাঃ
ইতিহাস প্রীতি আমার ছােটবেলা থেকেই ছিল। কিশাের বয়স থেকেই আমি ক্ষুদে বিল্পবী। অন্যায় অনর্থ বরাবরই আমি অপছন্দ করতাম, কারণ বৃহত্তর বাংলার বিপ্লবীদের জীবনী পড়া ৮ম শ্রেণীতে উঠার আগেই শেষ করি। সামাজিক অনাচার, লিঙ্গ বৈষম্য, ধর্মীয় গোঁড়ামি ইত্যাদি থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করেছি বরাবর। এরপর পূর্ব পাকিস্তানের প্রতি রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক, বৈষম্য, অবিচার, কিছু নামী মানুষের রাজনৈতিক বেশ্যাবৃত্তি। মুক্তিযুদ্ধে গমন, মুক্তিযযাদ্ধাদের একশ্রেণীর ক্ষমতাবানদের করুণা ও ঘৃণা যা এখনও অব্যাহত আছে যা আমাকে আহত করে। ১৬ ডিসেম্বর ও ২৬ মার্চ বঙ্গভবনে দাওয়াতে যােগদানকারী যুদ্ধাহত ও শহীদ মুক্তিযােদ্ধা পরিবারের সদস্যদের খাবার কুড়ানাের দৃশ্য, পুলিশ ও প্রশাসনে মুক্তিযােদ্ধাদের প্রতি নাকসিটকানাে ভাব এখন আরও বৃদ্ধি পাওয়া সবই বঙ্গবন্ধুর হত্যার কুফল বলে আমার দৃঢ় বিশ্বাস। চাকরিরত থাকার সময় হতে সমাজে সরকারের রাষ্ট্রের যে অনাচার দুর্নীতি ও অন্যায় দেখেছি তার বিরুদ্ধে লেখনীর মাধ্যমে প্রতিবাদ জানতাম। দৈনিক পত্রিকায় ছাপা হতাে সেই ১৯৮৬ সাল হতে, অবশ্য বেনামে। আমার অপছন্দের ২ ব্যক্তিত্ব হাজী শফিউর রহমান ও আনিসুর রহমান নামে লিখতাম। অবহেলার কারণে সে লেখাগুলাে হারিয়ে গেছে। ২০০৩ সালে আকস্মিকভাবে বে-আইনি ও এক্তিয়ার বহির্ভূত চাকরিচ্যুতি, রাষ্ট্রক্ষমতার সাথে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের প্রতি আমার বিশ্বাস ও শ্রদ্ধাবােধ শূন্যের কোটায় নামিয়ে দেয়। আমি বিশ্বাস করি অতি বড় অন্যায় ও পাপের ফলাফল মানুষ নিজ জীবনকালেই পায়। তখন সবকিছু অসহনীয় মনে হলেও তখনও নিজ কৃত পাপের ফল বলে তা মানতে পারে না। এক্ষেত্রেই মানুষ পশুর চেয়েও অধম। অথচ অধম প্রাণী ও মানুষের তফাৎ এক জায়গায় মানুষের মস্তিষ্কে বিবেক বলে একটা ‘সেল’ দেয়া আছে। বিবেককে কাজে লাগানাের জন্য পশুদের সেটা নেই।
