Summary:
ফ্ল্যাপ:
বিয়ের পিঁড়িতে বসে পারুলতা বংশী জানতে পারে তার হবু স্বামী সৌরভ আল চৌধুরীর জীবনে আগে আরও দুজন স্ত্রী ছিল। তবুও এক অমোঘ আকর্ষণে সে পা রাখে চৌধুরী বাড়ির বিশাল সিংহদুয়ারে। কিন্তু অন্দরমহলে পা রাখতেই শুরু হয় অন্য খেলা। বনেদি বাড়িটির প্রতিটি দেয়ালে যেন চাপা দীর্ঘশ্বাস আর রহস্যের ছায়া!
এক আঁধারি সন্ধ্যায় বারান্দায় দাঁড়িয়ে থাকা পারুলতা শুনতে পায় এক হাড়হিম করা চিৎকার। তিনতলার নিষিদ্ধ কামরায়, যেখানে সৌরভ ছাড়া কারো প্রবেশের অনুমতি নেই, সেখানে কার ছায়া পড়ল এক মুহূর্তের জন্য? অনুসন্ধানে নেমে পারুলতা জানতে পারে বাড়ির পেছনের জঙ্গলে ঘেরা পরিত্যক্ত ভাঙা মন্দিরের কথা। স্বামীর দাবি, সেখানে কোনো দেবী নয়, বরং জেগে আছে এক ভয়ংকর অভিশাপ।
রহস্যের কিনারা করতে গিয়ে পারুলতার পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায় বড়ো জা এবং তাঁর ভাই মুশফিক। মুশফিক পারুলতাকে হুঁশিয়ারি দিলেও নিজেই পা বাড়ায় নিষিদ্ধ সেই অন্ধকুঠুরিতে। সেখানে সে আবিষ্কার করে এমন এক সত্য, যা জানলে রক্ত জমে বরফ হয়ে যায়! ঠিক সেই মুহূর্তে সেখানে আবির্ভূত হয় স্বয়ং সৌরভ।
শুরু হয় এক মরণপণ লড়াই। একদিকে চৌধুরী বাড়ির অন্ধকার পাপের সাক্ষী মুশফিক, অন্যদিকে বংশের রহস্যের রক্ষক সৌরভ। তিনতলার সেই গোপন কামরা আর মন্দিরের শেকলবদ্ধ রহস্য কি কোনোদিন দিনের আলো দেখবে? নাকি পারুলতাকেও বরণ করতে হবে সেই করুণ পরিণতি, যা থেকে বাঁচতে পারেনি মেজো স্ত্রী ঝর্ণাও?
সব প্রশ্নের উত্তর মিলবে রহস্য-রোমাঞ্চে ঘেরা উপন্যাস ‘পারুলতা’-য়।
