নবাবনন্দিনী (হার্ডকভার)
0 Ratings
0 Answered Questions
By (Authors) : মোর্শেদা হোসেন রুবি
Save 156 BDT
Summary:
ফ্ল্যাপ:
আনুশকা মির্জা।
এক আনকোরা নবাবনন্দিনী। একাধারে চঞ্চল কোমল আবার বুদ্ধিমতীও। সমস্ত সত্তায় নবাবকন্যা হবার গুণ বিদ্যমান। অসম্ভব সুন্দরী আনুশকার ব্যপারে ওর
জন্মদায়িনী মা বলেন আনুশকা তার ফুপু কিশওয়ার মির্জার অনুরূপা। কথাটার সত্যতা একদিন জানতে পারে আনুশকা নিজেই। যেদিন পিতার নিষেধ সত্ত্বেও তার অগোচরে লুকিয়ে কিশওয়ার মির্জার লখনৌইয়া ঘাগড়াটা নিজ অবয়বে ধারণ করে। সেদিনই সে আয়নায় নিজেকে আবিস্কার করে কিশওয়ার মির্জা রূপে। যিনি আরেক নবাবনন্দিনী।
তারপর?
ধরা পড়ে যায় আনুশকা। ব্যাঘ্রগর্জনে ফেটে পড়েন ছোটে-নবাব কাশিফ আলী মির্জা। আনুশকা থরথর করে কেঁপে ওঠে। যত না পিতার হুঙ্কারে তারচেয়ে বেশি চেনাজনের লোলুপ স্পর্শআতঙ্কে। প্রিয় কন্যাকে দেখে কাশিফ মুষড়ে পড়েন। তিনি চাননি তার নন্দিনীর জীবন কিশওয়ার মির্জার মতো হোক। কিন্তু বাস্তবে তাই হতে দেখে রাগে দুঃখে ঘর ছাড়েন তিনি। হারিয়ে ফেলেন মানসিক ভারসম্য।
যদিও মনমননে গেঁথে আছে ফেলে আসা নবাবীমহল, এক নবাববাড়ি। সাথে অদেখা এক নবাবজাদা যে তার পঙ্খীরাজ ঘোড়া দিয়ে উড়িয়ে নিয়ে যাবে তার নবাবনন্দিনীকে।
ছোটে-নবাবের সেই সাধ কি কোনদিন পূর্ণ হবে? সত্যিই কি কোনো নবাবজাদা আসবে তার নবাবনন্দিনীকে নিয়ে যেতে? এই নোংরা ধূলোমলিন লোভী পরিবেশ থেকে?
