স্টুডেন্ট প্যাকেজ (ইসলামী জীবন ও ব্যবসার নির্দেশিকা)
0 Ratings
0 Answered Questions
By (Authors) : শায়খ আব্দুল হাকিম হক্কানিমুফতি মুহাম্মদ আবদুস সালাম চাটগামী রহিমাহুল্লাহসালিম আব্দুল্লাহশাইখুল হাদিস হযরত মাওলানা মোঃ জাকারিয়াশায়খ আব্দুল ফাত্তাহ আবু গুদ্দাহ রহ.
Save 1308 BDT
Package Details
No. | Product | Name | Discount | Price |
|---|---|---|---|---|
1 | 60% | BDT 320 | ||
2 | 60% | BDT 228 | ||
3 | 60% | BDT 160 | ||
4 | 60% | BDT 112 | ||
5 | 60% | BDT 52 |
Total: BDT 872.00
You can save BDT 1308.00
Summary:
ফিদাকা ইয়া রাসুলাল্লাহ
জবাব শুনে বৃদ্ধের শরীরটা কেঁপে উঠল। যেন হঠাৎ কোনো দেয়ালের সাথে ধাক্কা খেলেন। কোনোমতে নিজেকে সামলে নিয়ে ভাবলেন– কত আশা, কত জল্পনাকল্পনা নিয়ে এসেছিলাম! নবীজির সংস্পর্শ পেয়ে কতকিছু করব বলে ভেবে রেখেছিলেন! কিন্তু নবীজির তিরোধানের সংবাদ সব তামান্না নিমিষেই শেষ করে দিল। তবুও প্রিয়তমের সামান্য নিদর্শন পাওয়ার অভিপ্রায় ব্যথাতুর কন্ঠে বললেন,‘তোমাদের মাঝে কি তাঁর কোনো সন্তানাদি আছেন?’ হজরত আলি তখন নবীজির মুয়াজ্জিন হজরত বেলালকে ডেকে বললেন, ‘আগন্তুককে ফাতেমার কাছে নিয়ে যাও’। বৃদ্ধকে সাইয়েদা ফাতেমার বাসগৃহে নিয়ে যাওয়া হলো। বৃদ্ধ নিজের পরিচয় দিলেন। ব্যক্ত করলেন হৃদয়ের তামান্নার কথা। সবশেষে নবীজির ‘কৃত্রিম’ সংস্পর্শ পেতে আরজ করলেন, ‘আমাকে কি নবীজির কোনো কাপড় এনে দেওয়া যাবে? একটু দেখতাম,একটু স্পর্শ করতাম!
ইসলামি রাষ্ট্রব্যবস্থার মূলনীতি
রাষ্ট্র ও সরকার দু’ধরনের হয়ে থাকে।
কর আদায়কারী পুঁজিবাদী রাষ্ট্র ও সরকার। পথপ্রদর্শনকারী কল্যাণরাষ্ট্র ও সরকার। অর্থভিত্তিক ও পুঁজিবাদী রাষ্ট্রব্যবস্থার মূল লক্ষ্য থাকে রাষ্ট্রের আয় বৃদ্ধি ও সঞ্চয়ের অসীম স্ফীতি। হিদায়াতের দিকে পথপ্রদর্শনকারী (হিদায়াতি) রাষ্ট্রের উপলক্ষ্য ও গঠন হয়ে থাকে পুঁজিবাদী রাষ্ট্রব্যবস্থার উপলক্ষ্য ও গঠনপ্রক্রিয়া থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন। এই রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রাণ, প্রবণতা, আত্মচাহিদা, সিরাত, আচরণ ও কর্মপন্থার দিক থেকে হয় প্রথমটির সম্পূর্ণ বিপরীত। হিদায়াতি রাষ্ট্রের কর্ণধারদের মধ্যে শরিয়তের মূলনীতি বাস্তবায়ন, নিজ দায়িত্ব মূল্যায়ন, সেবা করা ও অপরকে নিজের ওপর প্রাধান্য দেওয়ার প্রবণতা বিদ্যমান থাকে।
ব্যবসার মর্যাদা ও ব্যবসায়ীদের করণীয়
নবী ও রাসুলদের মধ্যে অনেকেই ব্যবসায়ী ছিলেন। নবুয়তের দায়িত্ব পালন ছিল তাঁদের জীবনের মিশন। কিন্তু জীবিকা নির্বাহের মাধ্যম ছিল ব্যবসা। বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মাদ (সা.)-এর মর্যাদাবান সাহাবিদের মধ্যে অধিকসংখ্যক ছিলেন ব্যবসা-বাণিজ্যের সঙ্গে যুক্ত। অনেকে ছিলেন আরবের প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী। অনেকের ছিল আন্তঃদেশীয় ব্যবসা।
আমাদের সমাজে একটি ভুল ধারণা প্রচলিত আছে এবং উক্ত শ্রেণির লোকেরা মনে করেন, ব্যবসা-বাণিজ্য করা দুনিয়াদারি, ইবাদতের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। পণ্যে ভেজাল, খাদ্য দ্রব্যে ফরমালিন মিশ্রণ, ওজনে কারচুপি ইত্যাদিকে তারা পাপ ও অন্যায় মনে করেন না। আলেম-ওলামাদের ব্যবসা করাকে অনেকে ভালো চোখে দেখেন না।
ইসলামের অনুপম শিষ্টাচার
ইসলাম মানেই শান্তি। ইসলামের সৌন্দর্যের অন্যতম জিনিস একটি দিক হচ্ছে আদব ও শিষ্টাচার। কাফেররা সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত হয়েছে এই আদব-শিষ্টাচারে। সুতরাং আমাদেরকেও এ বিষয়ে আরও সচেতন হতে হবে। ছোটোখাটো এই শিষ্টাচার আমাকে অন্যদের সামনে গোছালোভাবে তুলে ধরবে। আমার আচরণ মানুষের প্রশান্তির কারণ হবে। তারাও আমাকে দেখে দেখে শেখার চেষ্টা করবে। এরকমই গুরুত্বপূর্ণ ইসলামি শিষ্টাচার ও আদব নিয়ে রচিত হয়েছে ‘ইসলামের অনুপম শিষ্টাচার’ বইটি। মূল বইয়ের লেখক হলেন বিখ্যাত আলেমেদীন শায়েখ আবদুল ফাত্তাহ আবু গুদ্দাহ রাহিমাহুল্লাহ। বাংলা ভাষায় পরম যত্নে অনুবাদ করেছেন তরুণ কথাসাহিত্যিক মুজাহিদুল ইসলাম মাইমুন।
ইসলামী অর্থব্যবস্থার মূলনীতি
ইসলামী জীবন যাপনে সম্পদ উপার্জন উদ্দেশ্য নয়; বরং তা উদ্দেশ্য অর্জনে সহায়ক। মানব সৃষ্টির লক্ষ্য তো ইবাদত করা। যেখানে মানুষের খেদমত ও ধর্মের খেদমত উদ্দেশ্য, তাই যখন কারো সামনে সম্পদ উপার্জনের লক্ষ্য স্মরণ থাকবে, তখন সে উক্ত উদ্দেশ্য অনুযায়ী উপার্জন করবে এবং উদ্দেশ্যের সাথে সামঞ্জস্যশীল উপকরণ গ্রহণ করবে, আর লক্ষ্যে ব্যাঘাত সৃষ্টিকারী উপকরণ পরিত্যাগ করবে। এর দ্বারা ইসলামী অর্থনীতি এবং পাশ্চাত্য অর্থ পদ্ধতির লক্ষ্য-উদ্দেশ্যে বড় পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়। কেননা পশ্চিমা অর্থ পদ্ধতির লক্ষ্য বস্তু হল শরীর লালন-পালন, শারীরিক শান্তি, শরীরে ফুর্তি অথবা আত্মীয়-স্বজন বা বন্ধ-বান্ধবদের আরাম আয়েশ ছাড়া অন্য কিছু নয়। অপরপক্ষে ইসলামী অর্থ পদ্ধতিতে সম্পদ উপার্জন ও সঞ্চয় বেঁচে থাকার জন্য এবং বেঁচে থাকা ইবাদতের জন্য।
