শয়তান যেভাবে ধোঁকা দেয় (তালবিসে ইবলিস) (হার্ডকভার)
0 Ratings
0 Answered Questions
By (Authors) : আল্লামা ইবনুল জাওযী (রহঃ)
Save 350 BDT
Summary:
শয়তান আমাদের আদি শত্রু। চির শত্রু। মহা শত্রু। তার এ শত্রুতা মানবজাতির আদি পিতা থেকে নিয়ে সৃষ্টির শেষ মানুষটি পর্যন্ত দীর্ঘ। তার অভনব ধোঁকা আর বিচিত্র কূটচাল জলে-স্থলে-অন্তরীক্ষে, শূণ্যে-মহাশূণ্যে- তথা পৃথিবীর সর্বত্র সকলের জন্য বিস্তৃত। তার প্রলোভন ও প্রতারণা থেকে বাঁচতে পারে না আলেম-জাহেল, শিক্ষিত-অশিক্ষিত, ধনী-দরিদ্র, নারী-পুরুষ- কেউই। সর্বত্র সবার জন্য সে পুতে রেখেছে অকল্পনীয়-অবর্ণনীয় পাপের বীজ। পৃথিবীব্যাপী সে বিছিয়ে রেখেছে অজস্র মোহজাল। পেতে রেখেছে অসংখ্য কুটিল ফাঁদ। সূক্ষ্ম-স্থূল সকল প্রকার ফন্দিতে শয়তান অদ্বিতীয়।
শয়তানকে কুরআন মাজিদে ইবলিসও বলা হয়েছে। তাতে ইবলিশ শব্দটি ব্যাবহার হয়েছে ১১ বার। শয়তানের এ নামেই আলোচ্য গ্রন্থ “তালবিসে ইবলিস” নামকরণ করা হয়েছে। মহান আল্লাহ মানুষকে কুমন্ত্রণা দেয়ার জন্যে শয়তানকে সুযোগ ও অবকাশ দিয়েছেন বটে; কিন্তু শয়তানের প্রতারণা ও বিভ্রান্তি থেকে আত্মরক্ষার জন্যে মানুষকে শয়তানি প্রতারণার যাবতীয় কূটকৌশল জানিয়ে দিয়েছেন এবং বাঁচার উপায়ও বলে দিয়েছেন।
শয়তানি প্রতারণার কূটকৌশলসমূহ যেমন কুরআনে বর্ণিত হয়েছে, তেমনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কুরআন উপস্থাপনের সাথে সাথে কুরআনের ব্যাখ্যা হিসেবে নিজের বাণীতেও সেগুলো জানিয়ে দিয়ে গেছেন। আলোচ্য “তালবিসে ইবলিস” গ্রন্থটিতে সে বিষয়গুলো অত্যন্ত নিপুনভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী আল্লামা শায়খ ইবনুল জাওযী রহ.।
