30%

পদ্মানদীর মাঝি (হার্ডকভার)

0

0 Ratings


0 Answered Questions

BDT 160.00BDT 230.00

Save 70 BDT

18 copies available

Summary:

"পদ্মানদীর মাঝি" বইয়ের ভূমিকা থেকে নেয়াঃ
যদিও কলেজের সহপাঠীদের বাজি ধরে তিনি গল্প পাঠিয়েছিলেন বিচিত্রায়। ‘অতসী মামী' নামের সেই গল্পটি মানিকের জীবনের মােড় ঘুরিয়ে দেয়। সাহিত্যচর্চাই হয়ে ওঠে মানিকের ধ্যানজ্ঞান। একে একে তিনি রচনা করেন জননী (১৯৩৫), দিবারাত্রির কাব্য (১৯৩৫), পুতুলনাচের ইতিকথা (১৯৩৬), পদ্মানদীর মাঝি (১৯৩৬), শহরতলী (১৯৪০), অহিংসা (১৯৪১), শহরবাসের ইতিকথা (১৯৪৬), চিহ্ন (১৯৪৭), চতুষ্কোণ (১৯৪৮), জীয়ন্ত (১৯৫০), সােনার চেয়ে দামী (১৯৫১), স্বাধীনতার স্বাদ (১৯৫১), ইতিকথার পরের কথা (১৯৫২), আরোগ্য (১৯৫৩), হরফ (১৯৫৪), হলুদ নদী সবুজ বন (১৯৫৬) প্রভৃতি উপন্যাস। অতসী মামী ও অন্যান্য গল্প (১৯৩৫), প্রাগৈতিহাসিক (১৯৩৭), মিহি ও মােটাকাহিনী (১৯৩৮), সরীসৃপ (১৯৩৯), বৌ (১৯৪৩), সমুদ্রের স্বাদ (১৯৪৩), ভেজাল (১৯৪৪), হলুদ পােড়া (১৯৪৫), আজকালপরশুর গল্প (১৯৪৬), ছােটবকুলপুরের যাত্রী (১৯৪৯), ফেরিওয়ালা (১৯৫৩) প্রভৃতি গল্পগ্রন্থ মানিকের উল্লেখযােগ্য সৃষ্টি।
মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের শ্রেষ্ঠ উপন্যাস কোনটি এ নিয়ে ভিন্নমত রয়েছে। তার প্রায় সকল উপন্যাসই শিল্পসিদ্ধির চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌছতে পেরেছে বলে, প্রতিটি রচনাই শ্রেষ্ঠত্বের দাবিদার। তবে ‘পদ্মানদীর মাঝি’ পাঠক সমাজে বেশি প্রচলিত ও প্রচারিত। নাট্যায়ণ ও চলচ্চিত্রায়ণের ফলে এই উপন্যাসের বহুকেন্দ্রিক আবেদন সমাজের বিভিন্ন স্তরে পৌঁছে যেতে পেরেছে।
দারিদ্র্য ও যৌনাকাঙ্ক্ষার মানবিক চিত্র অংকিত হয়েছে ‘পদ্মানদীর মাঝি'তে। বাংলাদেশের পদ্মাপাড়ের এক অখ্যাত গ্রাম কেতুপুরের জেলে সম্প্রদায়ের নদীকেন্দ্রিক জীবনযাত্রা তাদের সুখ-দুঃখ, পারিবারিক দ্বন্দ্ব-সংঘাত, যৌনাকাঙ্ক্ষা, নতুন জীবনের সন্ধানে অনিশ্চিত যাত্রা— সবই উঠেছে এই উপন্যাসের স্বল্প পরিসরে। উত্তাল পদ্মানদীতে ঝড়-বৃষ্টি-স্রোতকে উপেক্ষা করে জেলেদের দুঃসাহসিক অভিযানের কথা লেখক বিশ্বস্ত করে ফুটিয়ে তুলেছেন। বাংলাদেশের পদ্মাপাড়ের ভাঙ্গা-গড়ার সমাজের প্রচলিত আঞ্চলিক ভাষার সংলাপও এ উপন্যাসের আকর্ষণীয় হওয়ার একটি কারণ। কেবল সংলাপ নয়, বিবরণ প্রকাশেও লেখক গ্রহণ করেন ভাষার আঞ্চলিক ভঙ্গিমা।
নির্জন নদীতীরে সন্ধ্যারাতে কে হাসিবে? মানুষ নয়, নিশ্চয় নয়!
কপিলা বলে, তামুক ফেইল্যা আইছ মাঝি। কুবের নামিয়া আসিয়া
তামাকের দলাটা গ্রহণ করে। বলে, খাটাসের মত হাসিস ক্যান্ কপিলা,
আই?
কপিলা বলে, ডরাইছিলা, হ? আরে পুরুষ! তারপর বলে, আমারে নিবা মাঝি লগে?
সাহিত্য সমালােচক ডক্টর শ্রীকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় এই উপন্যাসের শ্রেষ্ঠ গুণ হিসেবে যা চিহ্নিত করেছেন তা হলাে— ইহার সম্পূর্ণরূপে নিম্নশ্রেণীর অধ্যুষিত গ্রামজীবনের চিত্রাঙ্কনে সূক্ষ্ম ও নিখুঁত পরিমিতিবােধ, ইহার সংকীর্ণ পরিধির মধ্যে সনাতন মানব প্রবৃত্তিগুলির ক্ষুদ্র সংঘাত ও মৃদু উচ্ছ্বাসের যথাযথ সীমা নির্দেশ।'

Related Products

Loading...Loading...Loading...Loading...Loading...Loading...

Ratings & Reviews

Loading

Loading

Ejanani Logo
Nagirerbag, South Keraniganj, Dhaka - 1310
ejanani.bd@gmail.com01983553366

Explore

Subscribe Now

Subscribe your email for newsletter and featured news based on your interest

© Copyright 2026 E-Janani. All rights reserved