মাসায়েল বিশ্বকোষ (দুই ঈদ, আকীকা ও কুরবানী) (হার্ডকভার)
ইসলামী জীবন যাপনে এক পূর্ণাঙ্গ পথনির্দেশিকা
0 Ratings
0 Answered Questions
By (Authors) : মুফতী মুহাম্মাদ ইনআমুল হক কাসেমী
Save 300 BDT
Summary:
প্রত্যেক নেসাবের মালিকের উপর কুরবানী ওয়াজিব। ওয়াজিব ও ফরজের উপর আমল করা আবশ্যক ও জরুরী হয়। কুরবানী ওয়াজিব হওয়া সত্ত্বেও কুরবানী না-করলে সে ফাসেক ও কঠিন গোনাহগার হবে। কুরবানী ওয়াজিব এমন ব্যক্তি কুরবানীর দিনগুলোতে কুরবানীর পশু জবাই করেই কেবল দায়িত্ব মুক্ত হতে পারে। কোরবানির পশুর মূল্য দান করার মাধ্যমে জিম্মাদারি আদায় হবে না। কুরবানী না করার ব্যাপারে কঠিন সতর্কবাণী বর্ণিত হয়েছে। হযরত ইবরাহীম আ. ও ইসমাইল আ. থেকে কুরবানীর এ ধারা জারি হয়েছে। কুরবানী কারী কুরবানীর পশুর প্রতিটি পশমের বিনিময়ে একটি করে নেকী পায়। পরকালে নেকি সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন হবে এবং এ কারণে পুলসিরাত পার হওয়া সহজ হবে। কুরবানির অন্যতম একটি হেকমত হল, প্রত্যেক নেসাবের মালিক একটি বছর হায়াত পাওয়ার শুকরিয়া হিসেবে কুরবানী করে থাকে । কুরবানী করে কৃতজ্ঞ বান্দা এবং কুরবানী না-করা ব্যক্তি অকৃতজ্ঞ। কৃতজ্ঞতা স্বীকারকারী নেয়ামত বৃদ্ধি পায় এবং অকৃতজ্ঞ নেয়ামত কমে যায়।
কুরবানীর অনেক মাসআলা রয়েছে। মাসআলা না-জেনে কুরবানীর মতো একটি মহৎ ইবাদত আদায় করলে তাতে ত্রুটি হওয়ার সম্ভাবনা রয়ে যায়। এ কারণে এ বান্দা (লেখক) কুরবানীর অতীব জরুরী মাসআলা সমূহের বর্ণ ক্রমানুসারে জমা করেছে, যাতে পাঠকের জন্য মাসআলা খোঁজ করা ও জানা সহজ হয় ।আল্লাহ তায়ালার কাছে বিশেষ প্রার্থনা, তিনি যেন এ কাজকে গ্রহণযোগ্যতা দান করেন।
