বিরামচিহ্ন (হার্ডকভার)
0 Ratings
0 Answered Questions
By (Authors) : সালমান হাবীব
Save 42 BDT
Summary:
আমার কবি জন্মের বন্ধু সালমান হাবীব। যদি এক ঝাঁক তারুণ্যে ভরা বিকেল, বুকে টেনে নেয় 'মনে থাকবে'র কবিকে; কবে তো মুখের ও আদল ভুলবো না, শ্যামলিমা-আভা মাখা উজ্জ্বল মুখটা! এবারের দিন চারেকের ঢাকা সফরে ঠিক এই ভাবেই একা এবং কয়েকটি মুখ আমার বুকের সাদা-কালো অ্যালবামে লগ্ন হয়ে গেছে। আমি দু'চোখ বুজলেও আবছা ও প্রগাঢ় দেখতে পাই একটি বিশেষ মুখমন্ডল ও চেহারাকে, সে একজন কবি। নাম সালমান হাবীব। মৃদু ও নম্র আলাপচারিতায় আমাকে জিতে নিল সে। আধুনিক মোবাইলের স্ক্রিনে যেন অনায়াসেই ভেসে এলো ছবি ও লাজুক শব্দ- দাদা আমি সালমান হাবীব। আরও একবার ভেসে এলো একটি কাব্যগ্রন্থের সুন্দর ও আকর্ষনীয় প্রচ্ছদ। নাম- বিরামচিহ্ন। প্রচ্ছদে আরও কয়েকটি শব্দ যেন উজ্বল তারার মতো জ্বলজ্বল করছে- পরিচয়, সম্পর্ক, ভালোবাসা, দূরত্ব। কলকাতার দাঁড়ে সবে থিতু হয়ে বসা মন বললো- বাহ! সুন্দর ভাবনা ও ছন্দোময় প্রচ্ছদ তো! আগ্রহ স্বাভাবিক ভাবেই বেড়ে গেলো। সালমান আবার স্ক্রিনে আবার পাঠালো পরপর কয়েকটি কবিতা। প্রথম কবিতাই আমার পাগলা মন দুলিয়ে দিলো- কারো কারো কাছে অদ্ভুত এক বিরামচিহ্ন থাকে........... সেই বিরাম চিহ্নের নাম 'ভালো থেকো।' সালমান আবার পাঠালো একটি দুটি কবিতা- জলজ সমুদ্দুর এবং চিঠি। প্রথমটিতে যেন চিরকালীন নারীসুলভ অনন্ত জিজ্ঞাসা- 'আমাকে একদিন নদী দেখাতে নিয়ে যাবেন?' আশ্চর্য না? অথচ ঢাকার কোলেই তো বুড়িগঙ্গা, তবুও কবির চোখে সমুদ্রের স্বপ্ন। আমি এই মাত্র কয়েকটি কবিতাতেই নড়েচড়ে বসলাম। চিঠি কবিতায় আবার আশ্চর্য হওয়ার বার্তাবহন- 'ভালোবাসি' এর চেয়ে নাতিদীর্ঘ চিঠি আর কী হতে পারে?' ধীরে ধীরে অনুভব করলাম, কবি সালমান হাবীবের কবিতার স্বরবর্ণ ও ব্যঞ্জনবর্ণে ক্রমশ ডুবে যাচ্ছি। তার কবিতা 'ভাঙচুর' এর মতো আমিও আমার চলত ধারণাকে গড়ছি ও ভাঙছি। কবিতায় ডুবছি আবার স্বাভাবিক ভাবেই ভেসে উঠছি। আমার ভালো লাগে এবং ভালো লাগার ভেতরেও ভালো লাগে- "তোমার জন্য হৃদ মাঝারে টিপ তোমার জন্য আলোর মিছিল শহর জুড়ে ওঠে সন্ধ্যাকালীন দীপ।" ভালো লাগে, ভালো লাগার অন্তরমহলে অপেক্ষায় থাকি এমন 'বিরামচিহ্ন'র জন্য। বিনীত আরণ্যক বসু
