জল জোছনা (হার্ডকভার)
0 Ratings
0 Answered Questions
By (Authors) : শিরিন শবনম
Save 55 BDT
Summary:
জলের মায়ায় গ্রহান্তর থেকে ছুটে আসে চাঁদ। নিঃশব্দ দাঁড়িয়ে নির্বাক ছায়াপথ। পৃথিবীর মায়াময় প্রহরে জলে ভরা চাঁদের ছায়া তৈরি করে অপার্থিব এক সঙ্গীত। সিক্ত হয় প্লানেট আর্থের ত্বক। জল, মরু, পাহাড়, ঝোপঝাড় গাছপালাসহ অনুরণন বয় ইহলোকে। প্রেমের প্লাবন জোনাকির বুকে। পূর্ণতা জলের বুকে।
ঢেউ এসে ভেঙে দেয় জলের বুকে চাঁদের ছায়া। কেড়ে নিতে পারে না ঢেলে দেয়া অকৃপণ জোছনা।
ভালোবাসা একটি বোধ। একটি আলোময় উপলব্ধি। এই উপলব্ধি পার্থিব প্রাপ্তির ব্রাকেটে বন্দী নয়। কিছু উপলব্ধি এতোটাই গভীর থাকে যে তা সম্পর্কে না গড়ালেও আপন সৌরভে ব্যক্তিমনের অন্দরে বেঁচে থেকে নিজের আয়নায় নানা আকার ধরে নিজেকেই সমৃদ্ধ করে।
হৃদয়ের অভ্যন্তরে প্রতিটি মানুষই এক একক মানুষ। একক মানুষের একলা প্রহরে একান্ত সেই উপলব্ধি অনুরণন ছড়ায় অস্তিত্বের কোষে কোষে। যা একান্তই নিজের।
ভালোবাসা বোধ মানুষকে পূর্ণাঙ্গ করে। সম্পূর্ণ করে। নিজের আয়নায় নিজেকে অনন্য করে।
সময়ের পথপরিক্রমায় ঘটনার চেয়ে উপলব্ধির মূল্যায়ন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে পড়েছে। মানুষের হৃদয়ের উপলব্ধি সূক্ষ থেকে সূক্ষতর হয়ে উঠছে। আধুনিক এই সময়ে মোটা দাগের ঘটনা এখন আর গুরুত্ব পায় না। এই মিনি নভেলায় ঘটনা নয় উপলব্ধিই গুরুত্ব পেয়েছে। মনস্বত্ব বিশ্লেষণ এই লিখনের উপাত্ত।
জলজোছনা কোনো কাহিনীর বর্ণনা নয়। জলজোছনা এক উপলব্ধিকথন।
পাঠক গ্রহণ করলেই আমার প্রচেষ্টা সফলতা পায়।
..... শিরিন শবনম
