দি প্রফেট স. (হার্ডকভার)
0 Ratings
0 Answered Questions
By (Authors) : আরিফ মঈনুদ্দীন
Save 42 BDT
Summary:
"দি প্রফেট (স.)" বইটির প্রথম ফ্ল্যাপ-এর লেখাঃ
কবি হচ্ছেন সমাজের সব থেকে সংবেদনশীল মানুষ। সাহিত্যের সর্বোৎকৃষ্ট স্থানে কবিতার অবস্থান। যিনি কবিতা লেখেন, যিনি কবিতা পড়েন, যিনি কবিতা শােনেন অর্থাৎ কবি এবং কবিতার পাঠক, শ্রোতা সবাই প্রথম শ্রেণির সংস্কৃতিবান।
রাসূল (স.) কবিতার একনিষ্ঠ ভক্ত ছিলেন। কবিতা এমন একটি অস্ত্র যা তরবারির চেয়েও ধারালাে। তার সময়ের কবিদেরকে তিনি এরকম ধারালাে কবিতা লিখতে প্রণােদনা দিতেন। তিনি শুধু কবি ও কবিতার পৃষ্ঠপােষকই ছিলেন না, নবুয়তের মতাে গুরুদায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়েও কবি ও কবিতাকে উৎসাহিত করার জন্য বিভিন্ন সময়ে কবিতার ওপর আলােকপাত করেছেন, মন্তব্য রেখেছেন এবং বিভিন্ন জনের কবিতা শুনতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। এরকম একটি উল্লেখযােগ্য মন্তব্য হলাে, যে দুটো মনােরম আভরণে বিশ্বাসীকে আল্লাহ সাজিয়ে থাকেন— কবিতা তার একটি।
শােকে-দুঃখে, আনন্দ-বেদনায় রাসূল (স.)-কে ঘূর্তিতে রাখার জন্য সাহাবি কবিরা কবিতা আবৃত্তি করে শােনাতেন। সাহাবি কবিদের। মধ্যে কবি হাসসান বিন সাবিতের প্রতি রাসূল (স.)-এর প্রবল ভালােবাসা ছিল। তাঁর কবিতা ছিল উন্মুক্ত এবং উত্তোলিত তরবারির মতাে। মহানবী (স.) অনেককেই জীবিতাবস্থায় জান্নাতের সুসংবাদ দিয়েছিলেন। কবিতা লেখার পুরস্কার হিসেবে জান্নাতের সুসংবাদ পেয়েছিলেন হাসসান বিন সাবিত (রা.)। হাসসান বিন সাবিতের কবিতা শুনে রাসূল (স.) ঘােষণা দিয়েছিলেন, “হে হাসসান, আল্লাহর কাছ থেকে তােমার জন্য পুরস্কার রয়েছে জান্নাত।”
