বাংলার গানের পাখি ফেরদৌসী রহমান (হার্ডকভার)
0 Ratings
0 Answered Questions
By (Authors) : রফিকুল ইসলাম
Save 75 BDT
Summary:
ষাট দশকের প্রথম দিকের কথা, ঢাকা বেতারকেন্দ্রই সবচাইতে শক্তিশালী গণমাধ্যম। টেলিভিশন মাধ্যম একেবারেই নতুন অবস্থায়। শক্তিশালী মাধ্যম ছিল বলে শিল্পীদের কণ্ঠের সাথে শ্রোতাদের পরিচয় করিয়ে দিয়েছিল ঢাকা বেতার কেন্দ্র। তাছাড়া তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান বর্তমান বাংলাদেশ-এর প্রতিষ্ঠিত শিল্পীর সংখ্যা ছিল খুবই কম। সেসময় বেতার কেন্দ্রে বেশিরভাগ গান প্রচার হতো ভারতের শিল্পীদের গাওয়া বাংলা গান। সাথে প্রচার হতো পাকিস্তানের গজল ও উর্দু গান। ঢাকার শিল্পীদের মধ্যে ফেরদৌসী আপার গানই বেশি শোনা যেত। কারণ ফেরদৌসী আপা তখন থেকে সব ধরনের গান গাইতে পারতেন।
সংগীত সাধনায় ফেরদৌসী আপা আত্মনিয়োগ করেছিলেন অন্তর থেকে। তাই দক্ষ শিল্পী হিসেবে সাংস্কৃতিক অঙ্গনে অথবা দেশ-বিদেশের শ্রোতা-দর্শকদের কাছে নিজের প্রতিভা তুলে ধরতে অসুবিধা হয় নি। কেবল আধুনিক গান, লোকসংগীত, নজরুলসংগীতেই নয় উচ্চাঙ্গসংগীতেও ফেরদৌসী আপার দক্ষতা দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে ভারত উপমহাদেশের জনগণকে। এই প্রতিভাবান শিল্পী গজল ও উর্দু গান পাকিস্তানের ছায়াছবিতে প্লেব্যাক করে তৎকালীন পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের জনগণকে তাক লাগিয়ে দিয়েছিলেন। '৬৫ সালে ভারত এবং পাকিস্তানের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হয়। যুদ্ধের সময় থেকেই ভারতের শিল্পীদের গান প্রচার বন্ধ করে দেয় পাকিস্তান সরকার।
