ইসসা ভ্যালি (হার্ডকভার)
0 Ratings
0 Answered Questions
By (Authors) : চেশোয়াভ মিলোসেভ
By (Translators) : বুলবুল সরওয়ার
Save 94 BDT
Summary:
হ্রদ অঞ্চলের কথা দিয়েই আমরা শুরু করি, কারণ টমাস ওখানেই থাকত; আর সেই নদীটার নাম ইস্সা। ইস্সা-উপত্যকায় ভূতের সংখ্যা আশ্চর্য রকমের বেশি। নদীর পাড় বরাবর ফাঁপা উইলোগাছ, কারখানা আর ঘন ঝোপঝাড়। যেসব 'প্রাণী' উপযুক্ত পরিবেশ পেলে তবেই দেখা দেন, তাদের পক্ষে সুবিধাজনক আড়াল পাওয়া যায় এখানে। যারা 'তাদের' দেখেছে, তারা বলে ভূতকে বরং বেঁটেই বলা যায়, এই নয়-দশ বছরের ছেলের মতো; পরনে সবুজ রঙের ফ্রককোট, কুচি-দেয়া জামা, বিনুনি করে বাঁধা চুল, উঁচু হিলওয়ালা চটি পরা।
ভূত নাকি তার পা লুকাবার খুব চেষ্টা করে, সেগুলো দেখাতে তার ভারি লজ্জা !... এসব কাহিনী কিছুটা সতর্কভাবে বিশ্বাস করা উচিত। ব্যবসা-বাণিজ্য, আবিষ্কার-উদ্ভাবন আর বিজ্ঞানচর্চার কারণে জার্মানদেরকে লোকে ভীতির চোখে দেখে। এ কথা জেনেই হয়ত ভূতেরা ইম্মানুয়েল কান্টের কায়দায় বেশভূষা করে নিজেদের ভারিক্কি দেখাতে চায়! তারা যে কখন কার মূর্তি ধরে আবির্ভূত হবে, তা আগে থেকে বলা যায় না।
